প্রচ্ছদ > বিনোদন >

জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা আসে হৃদয়ভাঙার পর: জেনিফার

article-img

হলিউড পপ তারকা ও অভিনেত্রী জেনিফার লোপেজের জীবন যেন এক চিরচেনা রোলারকোস্টার। প্রেম, বিয়ে আর বিচ্ছেদ— এ যেন অবিচ্ছেদ্য অংশ। চার-চারবার সংসার ভাঙার পরও ভেঙে পড়েননি তিনি। উলটো বিচ্ছেদ আর ব্রেকআপকে জীবনের অন্যতম বড় ‘সাফল্য’ বলেও মনে করেন অভিনেত্রী। এবং নতুন শুরুর সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি। কারণ সম্পর্ক ভাঙলে মন খারাপ না করে বরং আনন্দ করা উচিত। এমনকি পার্টি দেওয়া উচিত বলেও মনে করেন জেনিফার লোপেজ।

সম্প্রতি এ অভিনেত্রীর নতুন রোমান্টিক কমেডি সিনেমা ‘অফিস রোমান্স’ মুক্তি পেয়েছে । এ সিনেমার প্রচারে এসে মিশরীয় কমেডিয়ান ও শিল্পী কারিম রাহমার জনপ্রিয় শো ‘সাবওয়ে টেকস’-এ হাজির হন লোপেজ। সেখানেই প্রেম ও ক্যারিয়ারের বিচ্ছেদ নিয়ে নিজের জীবনের গভীর উপলব্ধির কথা শেয়ার করে নেন তিনি।

জেনিফার লোপেজ ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৯৭ সালে ওজানি নোয়ার সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। সেই বিয়ে এক বছরও টেকেনি। এরপর ক্রিস জুড এবং সংগীতশিল্পী মার্ক অ্যান্থনির সঙ্গে সংসার করেন তিনি। সেই ঘরে তার ১৮ বছর বয়সি যমজ সন্তান রয়েছে— মাক্স ও এম্মে। 

সেই বিয়েবিচ্ছেদের পর ২০১৯ সালে অ্যালেক্স রদ্রিগেজের সঙ্গে আংটি বদল করেন জেনিফার লোপেজ। কিন্তু বিয়ের আগেই ২০২১ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। একই বছর তিনি পুরোনো প্রেমিক বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে পুনরায় সম্পর্কে জড়ান এবং ২০২২ সালে বিয়ে করেন। তবে সেই সংসারও টেকেনি, ২০২৪ সালে তাদের আনুষ্ঠানিক ডিভোর্স হয়।

‘হৃদয় ভাঙলেই কেবল মানুষ নিজের ভেতরে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তখন মানুষ নিজেকে প্রশ্ন করে— ‘কী ঝামেলাটা হলো? আমি এখন কী করব? কেন বারবার আমার সঙ্গেই এমন হচ্ছে? অথবা ওটা কেন হলো না? আমি আরও ভালো কী করতে পারতাম?’ আর এভাবেই মানুষ নিজেকে পরিবর্তন করে বলে জানান জেনিফার লোপেজ।

সাধারণত সমাজ ব্রেকআপ বা ডিভোর্সকে নেতিবাচক চোখে দেখলেও তার ভাবনা একেবারেই উল্টো। তিনি চান মানুষ যেন বিচ্ছেদকে উদযাপন করে। এ পপ তারকা বলেন, আমাদের উচিত ব্রেকআপের পর পার্টি করা। মানুষের বলা উচিত— তোমাদের ব্রেকআপ হয়ে গেছে? অভিনন্দন! কারণ প্রথমত আপনি একটা সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছেন। দ্বিতীয়ত এটা সম্ভবত সবার জন্যই সবচেয়ে ভালো একটা বিষয় হয়েছে।

জেনিফার লোপেজ বলেন, জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষাগুলো আসে ধাক্কা খাওয়ার পর থেকে। মানসিক, মনস্তাত্ত্বিক এবং আবেগীয় দিক থেকে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় বিকাশগুলো ঘটেছে হৃদয় ভাঙার পর থেকে। এটা শুধু রোমান্টিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নয়, ক্যারিয়ারের ব্যর্থতা বা কাজের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।